• আমাদের অনুসরণ করো

কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমি 
লাউড়েরগড়, বাদাঘাট, তাহিরপুর, সুনামগঞ্জ 
Gmail : confidencechildcare19@gmail.com
মোবাইল : 01750-544045

◑◑ আমাদের প্রতিষ্ঠানের বৈশিষ্ট্য ◑◑

১. আদর্শ শিক্ষায় আলোকিত মানুষ গড়াই আমাদের অঙ্গিকার।
কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমি পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাদের জানাচ্ছি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। 

➤ সু-প্রিয় অভিভাবকবৃন্দ-
১. কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমিতে মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থায় প্লে গ্রুপ থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত যুগোপযোগী ও সৃজনশীল শিক্ষাদানের ব্যবস্থা রয়েছে।

২. কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমিতে অভিজ্ঞ ও যত্নশীল শিক্ষকবৃন্দ, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকমণ্ডলী দ্বারা পাঠদানের পাশাপাশি নৈতিক ও আচরণগত উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

৩. কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমিতে  নিরাপদ ও শিশুবান্ধব পরিবেশে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও আনন্দদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়।

৪. কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমিতে নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনে গুরুত্বের সাথে শিক্ষার পাশাপাশি শৃঙ্খলা, ভদ্রতা ও মূল্যবোধ গড়ে তোলায় বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়।

৫. কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমিতে  আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি
ও শিক্ষাসামগ্রী ব্যবহার করে সহজ ও আনন্দময়ভাবে পাঠদান করা হয়।

৬. কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমিতে  নিয়মিত মূল্যায়ন ও অভিভাবকের সাথে  যোগাযোগ
শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি নিয়মিত মূল্যায়ন করা হয় এবং অভিভাবকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখা হয়।

৭. কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমিতে  সহশিক্ষা কার্যক্রম
খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুর সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দেওয়া হয়।

 তাই আপনার সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে আমাদের প্রতিষ্ঠান হতে পারে একটি নির্ভরযোগ্য ও আদর্শ শিক্ষাকেন্দ্র।
সুতরাং আপনার সন্তানকে ভর্তি করতে যোগাযোগ করুন কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমি লাউড়েরগড়ে অফিস চলাকালীন সময়ে। 

 

আজকের শিশু আগামীর ভবিষ্যৎ 

সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দ 
আসসালামু আলাইকুম। 
শিশুরা হচ্ছে এক একটি ফুল। আর কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমি হচ্ছে সেই ফুলের বাগান। আমরা শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি এবং পরিচালক বিশ্বাসের সাথে যত্ন নিয়ে সেই শিশুর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছি। এজন্য সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দের একান্ত সহযোগিতা কামনা করছি। 

কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমি একটি মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। 

কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমি মানসম্মত শিক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। তাই 
আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি শিশুই সম্ভাবনাময়।
সঠিক দিকনির্দেশনা, আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি ও যত্নশীল পরিবেশের মাধ্যমে আমরা গড়ে তুলি তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। 

কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমি
আপনার সন্তানের সেরা শিক্ষার বিশ্বস্ত ঠিকানা 

কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমিতে আদর্শ শিক্ষার সাথে নৈতিক শিক্ষা প্রদান।

কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমিতে আদর্শ শিক্ষার সাথে নৈতিক শিক্ষার সমন্বয়ে শিক্ষা প্রদান করা হয়।
কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমি শুধু পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞানই দেয় না, বরং শিশুদের চরিত্র গঠন ও নৈতিক মূল্যবোধ শেখাতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের শিক্ষাদান পদ্ধতি শিশুকে:
➤ আদর্শ শিক্ষা: জ্ঞান, দক্ষতা ও সৃজনশীল চিন্তাভাবনায় সমৃদ্ধ করে।
➤ নৈতিক শিক্ষা: সততা, দায়িত্ববোধ, সহানুভূতি ও শৃঙ্খলা গড়ে তোলে।
এই সমন্বয়ের ফলে শিশুরা হয় দক্ষ, দায়িত্বশীল এবং ভালো মানুষ। আমাদের লক্ষ্য হলো “আজকের শিশুকে, আগামীর ভবিষ্যৎ” গড়ে তোলা।

কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো Art, General knowledge এর ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমিতে শিশুদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধির জন্য Art, General knowledge এর ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই আশপাশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে কনফিডেন্স চাইল্ড কেয়ার একাডেমি আলাদা ও অন্যতম।

 ✪✪ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণের জন্য নির্দেশনা ✪✪

১. পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করে বিদ্যালয়ে আসা বাধ্যতামূলক।
২. বেতন অনাদায়ে হাজিরা খাতা থেকে নাম কাটা যাবে। পুনঃভর্তি
    বিবেচনা সাপেক্ষে।
৩. পরপর সাতদিন বিনা অনুমতিতে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলে তার
    ভর্তি বাতিল করা যেতে পারে।
৪. একই শ্রেণিতে পরপর দু’বছর বার্ষিক পরীক্ষায় কোনো ছাত্র
    অকৃতকার্য হলে তাকে T.C (ছাড়পত্র) দেয়া হতে পারে। 
৫. বিদ্যালয়ে যেকোনো পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করলে তাকে
    বিদ্যালয় থেকে T.C দেয়া যেতে পারে।
৬. বিদ্যালয় চলাকালীন সময় বিনা অনুমতিতে শ্রেণিকক্ষ ত্যাগ গর্হিত
    অপরাধ। এ অপরাধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
৭. সময়মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। ছুটির ঘণ্টা না বাজানো
    পর্যন্ত কোনো ছাত্র বিদ্যালয় ত্যাগ করতে পারবে না।
৮. বেতন কালেকশনের নির্ধারিত তারিখে বেতন ও অন্যান্য পাওনাদি
    পরিশোধ করতে হবে।
৯. প্রত্যেক ছাত্রের বিদ্যালয়ে অবশ্যই ৯৫% এর বেশি উপস্থিত থাকতে
    হবে, নতুবা বিদ্যালয়ের কোনো পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে দেয়া হবে
    না। কোনো কারণে অনুপস্থিত থাকলে অবশ্যই অভিভাবককে প্রধান
    শিক্ষক অথবা  শ্রেণি শিক্ষকের সাথে দেখা করে বিষয়টির
    সুরাহা করতে হবে।
১০. বিশেষ কারণে কর্তৃপক্ষ পাঠ পরিকল্পনা সংযোজন ও বিয়োজন
     করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।
১১. শ্রেণি প্রমোশনের ক্ষেত্রে বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনা করা
     হয়।
১২. প্রথম, দ্বিতীয় ও বার্ষিক পরীক্ষায় প্রতি বিষয়ে ধারাবাহিক  মূল্যায়ন
     করা হবে।
১৩. প্রথম, দ্বিতীয় ও বার্ষিক পরীক্ষায় (১ম- ৫ম) শ্রেণিতে সাঃ জ্ঞান
     ও ছবি আঁকায় ৫০ এবং বাকি প্রতিটি বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা
     নেয়া হবে।